‘কেবল পাশ করার জন্য পড়াশোনা করলে হবে না’


Published: 2017-09-19 15:21:11 BdST, Updated: 2017-10-20 12:58:34 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব জনাব সম্পদ বড়–য়া বলেছেন, কেবল পাশ করার জন্য পড়াশোনা করলে হবে না। সকলকে শিক্ষার প্রকৃত দীপ্তিটা জ্বালাতে হবে। আমাদের দেশে হাজারো সমস্যা।

দেশ-সমাজ প্রকৌশলীদের দিকে তাকিয়ে আছে। বাংলাদেশের ২০৩০ সালের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ (এসডিজি) অর্জনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন প্রকৌশলীদের। সুতরাং দেশের জন্য আপনাদের করণীয় অনেক কিছুই আছে।

তিনি আরো বলেন, চুয়েটের অগ্রযাত্রার চিত্র দেখে আমি আনন্দিত। এখানে অনেক ভালো ভালো কাজ হচ্ছে। এখানে না আসলে বিষয়টা আমি বুঝতেই পারতাম না। আগামী দিনেও দেশের প্রকৌশল শিক্ষার ক্ষেত্রে চুয়েট গৌরবময় অবদান রেখে যাবে বলে আমি আশাবাদী।

তিনি মঙ্গলবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)- এর ১৫তম ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পুরকৌশল অনুষদের প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ হযরত আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ফর ম্যানকাইন্ড’ স্লোগানের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ও যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুল আলম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আশুতোষ সাহা, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তফা কামাল, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক।


অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার এবং চুয়েটের ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের প্রকৌশলীদের সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে তরুণ প্রকৌশলীদের তত্ত্বীয় জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক ও গবেষণালব্ধ জ্ঞানের সমন্বয় ঘটাতে হবে। চুয়েট প্রশাসন সে লক্ষ্যে সম্প্রতি একনেকে অনুমোদিত ৩২০ কোটি টাকার ডিপিপি থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ রেখেছে। চুয়েটের চলমান অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে সকলকে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূইয়া, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী অচিন্ত কুমার চক্রবর্ত্তী, কর্মচারী সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ জামাল উদ্দীন, ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে নুসরাত অমি, মেহেদী হাসান এবং ওয়ালিয়া ফারাজানা প্রমুখ।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা টিমে ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের প্রফেসর ড. আয়শা আক্তার, ইটিই বিভাগের শিক্ষক ড. মোঃ আজাদ হোসাইন, ইউআরপি বিভাগের শিক্ষক এ.টি.এম শাহাজাহান এবং সহকারী রেজিস্ট্রার ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে টি-শার্ট স্পন্সর হিসেবে অংশ নেয় কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেড।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটি বিআইটি, চট্টগ্রাম থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে চুয়েটের যাত্রা শুরু হয়। উক্ত দিনে দিবসটি এর আগে উদযাপিত হলেও চলতি বছর পবিত্র ঈদ-উল-আজহার বন্ধ পড়ে যাওয়ায় ১ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে এবার ১৯ সেপ্টেম্বর চুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হয়।

 

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমএইচ

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।