কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে


Published: 2017-08-04 17:05:57 BdST, Updated: 2017-09-24 12:57:44 BdST

 

লাইভ প্রতিবেদক: কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের পর মা ও মেয়ের ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। 

ওই ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষার ফরেনসিক রিপোর্টে ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের একটি মেডিকেল বোর্ড বৃহস্পতিবার রাতে এই রিপোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। 

এদিকে ধর্ষক শহর শ্রমিক লীগের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক তুফান সরকারের স্ত্রীর বড় বোন পৌর কাউন্সিলর মারজিয়া হাসান রুমকির বাড়িতে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ওই ছাত্রী ও তার মাকে নির্যাতন ও ন্যাড়া করে দেওয়ার আলামত জব্দ করেছে পুলিশ। 

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ জানান, গত রবিবার (৩০ জুলাই) আদালতের নির্দেশে ধর্ষণের আলামত পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. কেএম শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ড ১ আগস্ট ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা শেষ করার পর বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের হাতে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। 

তদন্তকারী কর্মকর্তা আরো জানান, রিমান্ডে থাকা তুফান, মুন্না ও রুমকিকে আদালতে নেয়া হবে। এর মধ্যে তুফান ও রুমকিকে পুনরায় ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানানো হবে। 

এর অগে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) বিকেলে জেলার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শ্যাম সুন্দর রায় মেয়েটির ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করেন। 

প্রসঙ্গত, বগুড়ার শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক থাকা কালে গত ১৭ জুলাই কলেজে ভর্তীচ্ছুক ওই ছাত্রীকে ক্যাডার দিয়ে নিজ বাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন তুফান সরকার। এরপর ২৮ জুলাই তুফানের স্ত্রী আশা, আশার বোন কাউন্সিলর রুমকিসহ সহযোগীরা ধর্ষিতা ছাত্রী ও তার মায়ের ওপর নির্মম নির্যাতন চালায় এবং তাদের মাথা ন্যাড়া করে দেয়।

 

ঢাকা, ০৪ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমএইচ

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।