জন্মদিনে ছাত্রী ধর্ষণ : কথিত নাঈম আশরাফ ফেরিওয়ালার ছেলে!


Published: 2017-05-11 14:25:20 BdST, Updated: 2017-11-18 19:36:04 BdST

লাইভ প্রতিবেদক : রাজধানীতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে নিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় নতুন নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে। বেরিয়ে এসেছে অভিযুক্ত নাঈম আশরাফের প্রকৃত পরিচয়। রাজধানীতে এসে তিনি পরিচয় গোপন করে নাঈম আশরাফ হয়েছেন। তার আসল নাম এইচ এম হালিম। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের গাংহাইল গ্রামে। ওই গ্রামের ফেরিওয়ালা আমজাদ হোসেনের ছেলে কথিত নাঈম আশরাফ ওরফে হালিম।

২০০৪ সালে তিনি এসএসসি পাশ করে ভর্তি হন বগুড়া পলিটেকনিকে। পরিচয় গোপন করে তিনি বিয়ে করে ধরা খান। পরে তাকে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। পরে পরিচয় গোপন করে তিনি হয়ে যান নাঈম আশরাফ।

এর কিছুদিন পর তিনি কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেব লীগের সহ-সভাপতি পরিচয় দিয়ে ব্যানার ফেস্টুন টানায় এলাকায়। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। খোদ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই জানে না ওই নাঈম আশরাফ কে! পরে এলাকাবাসী তাকে প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করেন।

এদিকে সম্প্রতি পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে নাঈম আশরাফ ওরফে হালিমের ছবিটি নিশ্চিত করেন তার চাচী। যদিও হালিমের বাড়িটি তালাবদ্ধ রয়েছে। তার বাবা-মাকেও এলাকায় দেখা যায়নি।

হালিমের চাচী জানান, নাঈম আশরাফ কে তা আমরা জানি না। পত্রিকায় যে ছবি দেয়া হয়েছে তা হালিমেরই ছবি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ বগুড়া ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পরিচয় গোপন করে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে নাঈম ওরফে হালিম। তারা অবিলম্বে হালিমকে গ্রেফতার করে তার বিচার দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় বনানী থানায় ধর্ষণের মামলা করেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা করতে দুই ছাত্রীকে টানা ৪৮ ঘণ্টা যুদ্ধ করতে হয়। হয়রানি বাড়াতে মেডিকেল পরীক্ষার নামে দুই ছাত্রীকে দীর্ঘ সময় থানায় বসিয়ে রাখা হয়। রাত ১০টার দিকে তাদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, ওই মামলার আসামিরা হলেন সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও অজ্ঞাতনামা দেহরক্ষী। মামলার প্রধান আসামি সাফাত। এর মধ্যে নাঈম আশরাফের পরিচয় নিয়ে ধুম্রজাল তৈরি হয়েছে।

 

ঢাকা, ১১ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//জেএন

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।