ভাললাগা থেকে ভালেবাসা, তারপর বিয়ে, অত:পর...


Published: 2017-04-29 20:07:59 BdST, Updated: 2017-11-18 16:07:40 BdST



লাইভ প্রতিবেদক: প্রথমে ভাললাগা। তারপর ভালোবাসা। এরপর দুজনে মিলে পালিয়ে যাওয়া। অত:পর উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসা। ভালোই যাচ্ছিল দিনকাল। কিন্তু হঠাৎ কোন এক অজানা কারণে চলে যেতে হল ভালবাসার মায়া ত্যাগ করে। কেউই জানে না সে কারণ। এমনকি যাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন তারও অজানা।

বলা হচ্ছিল টাঙ্গাইলের কলেজ ছাত্রী রুপা আক্তারের (১৯) কথা। তিনি বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। মাত্র তিন মাস আগে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন ওই তরুণী। তারা বাবা উত্তরপাড়ার ওয়ারেজ মিয়া। হঠাৎ কর সবার অজান্তে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
 
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র সাব্বির হোসেনের (২২) সঙ্গে রূপার বিয়ে হয়। সাব্বির হোসেন উপজেলার সুন্না দক্ষিণপাড়ার আজিজুল মিয়ার ছেলে। সাব্বিরের সাথে রূপার সাত মাসের প্রেমের সম্পর্কের মাথায় গত জানুয়ারি মাসে দুজনে পালিয়ে যান।  পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে তাদের সম্পন্ন হয়। ভালোই চলছিল সাব্বির-রুপার সংসার। কিন্তু বিয়ের তিন মাসের মাথায় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে রুপা সবার অজান্তে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
 
রুপার স্বামী সাব্বির হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার আমরা দুজনে একসাথে কলেজে যাই। তারপর কলেজ থেকে শ্বশুড় বাড়িতে আসি। আমার সঙ্গে রুপার কোনো মনোমালিন্য ছিল না। কি কারণে রুপা আত্মহত্যা করল তা বুঝতে পারছি না।

বাসাইল থানা ওসি নুরুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।  

 

ঢাকা, ২৯ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমএইচ

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।