পর্যটকের পদভারে মুখরিত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত


Published: 2017-09-05 18:03:53 BdST, Updated: 2017-09-24 12:51:24 BdST

নাইম ইসলাম, কুয়াকাটা থেকে: যানজট আর কোলাহল মুক্ত পরিবেশ উপভোগ এবং ইদের লম্বা ছুটিতে অসংখ্য পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পর্যটনখ্যাত জেলা পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখার আনন্দ উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন পর্যটকেরা। সৈকতের দর্শণীয় স্পট গুলোতে তিল ধারণের জায়গা পাওয়া দুষ্কর ।

সমুদ্রের ঢেউয়ের উম্মাদনার পাশাপাশি সমুদ্রে গোসল, ফুটবল খেলাসহ নানা আনন্দ উল্লাসে রয়েছেন পর্যটকরা। প্রাণ ফিরেছে সমুদ্রসৈকতটি ঘিরে থাকা ছোটখাটো সব ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে । রাখাইন মার্কেট, কুয়াকাটার কুয়া, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, মিশ্রিপাড়া সীমা বৌদ্ধ মন্দির, রাখাইন পাড়া, সুন্দরবনের পূর্বাংশ ফাতরারবন, গঙ্গামতির লেক, লাল কাকড়ার চর, লেম্বুর বন, ইলিশ পার্কসহ দর্শণীয় স্থান গুলোতে ভিড় পরে গেছে পর্যটকদের।

ইদুল আযহার দিন বিকেল থেকেই সমুদ্রপাড়ে জড়ো হতে শুরু করেছে ছেলে-বুড়ো থেকে শুরু করে সকল বয়সী বিনোদনপ্রেমীরা।


ইদের দ্বিতীয় দিন বিকাল থেকে বাস, মাইক্রোবাস যোগে দলে দলে আসছেন পর্যটকরা। এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় অন্যান্যবারের তুলনায় পর্যটকদের উপচে-পড়া ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে।

প্রিয়জনদের সাথে নিয়ে উচ্ছ্বাস আর আনন্দে সাগরের ঢেউয়ে ভাসতে কুয়াকাটায় আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে কুয়াকাটা পৌরসভা ও টুরিস্ট পুলিশ তৎপর রয়েছে। ইদুল আযহার দিন থেকে পর্যটকদের ভীড়ের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছেন তারা। যে কোন ধরনের নাশকতা ঠেকাতে সৈকতে নিরাপত্তা চৌকি সহ দর্শনীয় স্পট গুলোতে পুলিশি টহল রয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে কুয়াকাটাকে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে কুয়াকাটা "সাগরকন্যা" নামে পরিচিতি পায়। আর প্রতিবছর দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।

 

ঢাকা, ০৫ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমএইচ

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।